শিক্ষানুরাগী অধ্যক্ষ শাহ মোহাম্মদ আবু হাসান টুটুল শিশু-কিশোর ও বিনোদন প্রিয় লোকদের আনন্দ বিনোদন দিতে পার্কটির কাজ কাজ শুরু হয় ২০০৪ সালে। ৫ একর জমির ওপর প্রথমে ১০টি পুকুর খনন করা হয়। এরপর পুকুরের পাড় জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে স্থায়ী বসার জায়গা, বাঁশ আর খড়ের তৈরি ছোট ছোট বসার ঘর, শিশুদের দোলনা, পুকুরে নৌকা, স্লিপার। পার্কটির উত্তর পূর্ব কোণে রয়েছে জাতীয় ফুল শাপলা। পশ্চিমে উন্মুক্ত মঞ্চ। মাঝ খানে গাছের ছায়ার ভেতর হাতি, জিরাফ, পক্ষিরাজ ঘোড়া, ময়ুর। পুকুরের পাড় জুড়ে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বক, দোয়েল, ময়না, শালিক, শেয়ালসহ আকর্ষণীয় ভাস্কর্য। এছাড়াও শিশুদের আনন্দ দিতে ঘোড়ায় চরে পার্কে ঘোরার ব্যবস্থা নতুন করে যোগ করা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষ্যে পার্কটিতে যেমন লোক সমাগম ঘটে। তেমনি পার্ক জুড়ে বসে নানা ধরণে শিশু খেলনার দোকান। যার মধ্যে মাটির, হাড়ি, পাতিল, পুতুল নৌকা, মাটির তৈরি নানা রঙের ফলসহ নানা জিনিস। পার্কটি খানসামা উপজেলা থেকে দক্ষিণে ২০ কিলোমিটার দূরে এবং চিরিরবন্দরের রাণীরবন্দর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে গোয়ালডিহি ইউনিয়নের মারগাঁও গোয়ালডিহি সীমান্তে অবস্থিত।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস